About Us

Nexus Defence and Justice (NDJ)

শক্তি প্রতিরক্ষায় - ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায়

প্রতিষ্ঠা, নীতি ও বাংলাদেশের বিচার ও সার্বভৌমত্বে প্রভাব


১. পটভূমি (Background)২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের বিপ্লবী উত্থানে সামরিক কর্মকর্তাদের আন্দোলন ছিল এক অমূল্য অধ্যায়—যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির বৃহত্তর গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত উভয় শ্রেণির কর্মকর্তারা এতে মূল ভূমিকা পালন করেন: অবসরপ্রাপ্তরা রাজপথে মিছিল, প্রতিবাদ ও প্রচারণায় ঝাঁপিয়ে পড়েন, ছোট দলগুলোতে বিভক্ত হয়ে মাটির স্তরে জনগণকে সংগঠিত করেন; কর্মরতরা বিপ্লবের চূড়ান্ত মুহূর্তে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

বিপ্লবের পর জোরপূর্বক অবসরে পাঠানো ও অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা একত্রিত হয়ে সেমিনার ও প্রচারণায় অগ্রসর হন, তাঁদের অধিকার পুনরুদ্ধার, ন্যায়সঙ্গত পুনর্বহাল, প্রমোশন ও বঞ্চিত সুবিধার দাবি তুলে। তারা অন্যায়কারীদের শাস্তি এবং অবসরপ্রাপ্ত দক্ষ কর্মকর্তাদের দেশপুনর্গঠনে কাজে লাগানোর উপর জোর দেন, সতর্ক করে যেন রক্তাক্ত সংগ্রামের বিজয় কোনো প্রত্যাবর্তনের (Counter Revolution) শিকার না হয়। এভাবে বঞ্চিত সামরিকদের আন্দোলন বিপ্লব-পরবর্তী রাজনৈতিক-সামাজিক রূপান্তরের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে—যা অতীতের অবিচারের ন্যায়বিচার এবং নবীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠনমূলক অবদানের স্বপ্ন বুনে।

২. এনডিজে’র সূচনা (NDJ’s Inception)
এনডিজে (NDJ) এক মিশ্রধর্মী, অরাজনৈতিক নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (Think Tank) ও সক্রিয় কর্মী প্ল্যাটফর্ম—জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে, বিশেষত ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর জন্ম নেয়। এটি প্রতিষ্ঠা করেন সৎ, দেশপ্রেমিক, রাজনৈতিকভাবে সচেতন কিন্তু দৃঢ় জাতীয়তাবাদী ব্যক্তিরা—সামরিক ও বেসামরিক উভয়ের সমন্বয়ে। তাঁরা সাবেক স্বৈরাচারী শাসনের পুরো যুগ বিরোধিতা করেছেন, জুলাই আন্দোলনের প্রারম্ভ থেকেই রাজপথে সক্রিয়।

ধীরে ধীরে এনডিজে বিস্তার লাভ করে, দেশপ্রেমিক নাগরিক, বিশেষত সামরিক কর্মকর্তারা যোগ দিয়ে এর প্রভাব ও মর্যাদা বাড়ায়। জাতীয় সার্বভৌমত্ব, ন্যায়বিচার ও সশস্ত্র বাহিনীর সততা—এই মূলনীতিতে প্রতিষ্ঠিত এটি ব্যক্তি বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে অবস্থিত।

৩. মূল আদর্শ ও নীতি (Core Ideology and Principles)
এনডিজে’র মৌলিক দর্শন পাঁচটি স্তম্ভে সঙ্কলিত:

৩.১ অরাজনৈতিক চরিত্র — রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, জাতীয় স্বার্থই একমাত্র লক্ষ্য। 

৩.২ রাজনৈতিক বিশ্বাসের ঊর্ধ্বে ঐক্য — “সবার উপরে দেশ” (Country above all) নীতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

৩.৩ ফ্যাসিবাদ ও বহিঃহস্তক্ষেপের বিরোধিতা — বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী শক্তির পুনঃউত্থানের কঠোর বিরোধিতা করে। 

৩.৪ ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ সংরক্ষণ — জাতীয় স্থিতিশীলতা, ঐক্য ও সম্প্রীতির জন্য ঐতিহ্য রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

৩.৫ন্যায়বিচারওমানবাধিকারেরপক্ষেসোচ্চার — ন্যায়,মানবাধিকারওসুশাসনভিত্তিকবাংলাদেশগড়ারলক্ষ্য।

৪. গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও কর্মকাণ্ড (Significant Contributions and Activities)
এনডিজে বেশ কয়েকটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে:

৪.১ বিডিআর হত্যাকাণ্ড পুনঃতদন্ত — শহীদ পরিবার ও ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যৌথ আন্দোলনে স্বাধীন কমিশন দাবি; ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪-এ কমিশন গঠিত হয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত।

৪.২ গুমবিরোধী কমিশনে অবদান — ৫ আগস্ট ২০২৪-এর ‘আয়নাঘর’ থেকে গুমিদের উদ্ধারে মুখ্য ভূমিকা; ‘মায়ের ডাক’ ও ‘অধিকার’-এর সঙ্গে গুমবিরোধী কমিশন সমর্থন।

৪.৩ আন্তর্জাতিক ফোরামে আইনি কার্যক্রম — বিডিআর শহীদদের ICT-তে মামলায় ব্যবস্থাপনা, নৈতিক-আইনি সহায়তা।

৪.৪ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযান — ২০০৯–২০২৪-এর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে নিষিদ্ধকরণ দাবি; ফলে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ (অক্টোবর ২০২৪), আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ (১০ মে ২০২৫)।

৪.৫ সশস্ত্র বাহিনী শক্তিশালীকরণ — সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকায়ন ও সক্ষমতাবৃদ্ধির লক্ষে একটি স্বাধীন প্রতিরক্ষা সংস্কার কমিশন (Defence Reforms Commission) গঠনের পক্ষে এনডিজে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেয়। এই কমিশন বিদ্যমান প্রতিরক্ষা কাঠামো পর্যালোচনা করবে, প্রয়োজনীয় সংস্কারের সুপারিশ করবে এবং তার কৌশলগত উন্নয়ন বাস্তবায়নের তত্ত্বাবধান করবে।

৪.৬ ভুক্তভোগী সামরিক কর্মকর্তাদের জন্য ন্যায়বিচার — বিগত আওয়ামী শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও তথাকথিত দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে প্রায় ৬০০ সামরিক কর্মকর্তাকে অন্যায়ভাবে বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তি প্রদানসহ অবসর, বরখাস্ত করে। আগস্ট ২০২৪ থেকে এনডিজে তাঁদের প্রতি ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলনসহ প্রধান উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের সাথে বিষয়টির স্বচ্ছ পর্যালোচনার দাবির প্রেক্ষিতে গত ১৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জাতীয় পর্যায়ের কমিটি গঠন হয়।

৪.৭ মেজর জাহিদ হত্যা মামলা — ২০১৬-এর ‘সাজানো জঙ্গি নাটক’-এ হত্যার পুনঃতদন্ত; ২০১৬ সালে ঢাকার মিরপুরে একটি ‘সাজানো জঙ্গি নাটকে” পুলিশের অভিযানে হ্যান্ডকাফ পরিহিত অবস্থায় মেজর জাহিদকে নির্মমভাবে হত্যার পুনঃতদন্ত মামলায় এনডিজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অবশেষে ১০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে বিস্তারিত তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের দাবি করা হয়।

৪.৮ ভুয়া সন্ত্রাসবাদ মামলা — ২০০৯–২০২৪ সাল পর্যন্ত বেশ কিছু সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘ভুয়া সন্ত্রাসবাদ’ মামলার নথিপত্র প্রকাশ পায়, যা রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। এর মধ্যে মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক-এর ঘটনা উল্লেখযোগ্য। এনডিজে আইন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে, যাতে এসব মামলা পুনঃতদন্ত এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।

৫. সাংগঠনিক কাঠামো (Organizational Structure)

এনডিজে একটি বিকেন্দ্রীভূত সাংগঠনিক কাঠামো গ্রহণ করেছে, যাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। এর মূল কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

৫.১ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ — এনডিজের মূল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা। সামরিক ও বেসামরিক – উভয় পেশাজীবী ক্ষেত্র থেকে সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকে। প্রধান নীতিগত সিদ্ধান্ত, কৌশল প্রণয়ন ও জাতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম পরিকল্পনা করে।

৫.২ উপদেষ্টা পরিষদ — অভিজ্ঞ সাবেক সেনা কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, আইনবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এতে অন্তর্ভুক্ত। সংগঠনের কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও নীতিনির্ধারণে বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদান করে।

৫.৩ আঞ্চলিক সমন্বয় কমিটি — পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলায় এনডিজের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা, সদস্য সংগ্রহ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।

৫.৪ বিশেষায়িত সেল — জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতি গবেষণা, মিডিয়া ও প্রচার, আইন ও ন্যায়বিচার, মানবাধিকার সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে আলাদা কার্যকর সেল রয়েছে। এ সেলগুলো নির্দিষ্ট খাতভিত্তিক কার্যক্রমে বিশেষজ্ঞ সহায়তা প্রদান করে।

৫.৫ স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ক — শিক্ষার্থী, তরুণ ও সাধারণ নাগরিকদের নিয়ে গঠিত বৃহত্তর একটি নেটওয়ার্ক। মাঠপর্যায়ের আন্দোলন, সচেতনতা কর্মসূচি ও মানবিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকে।

৬. জনসমর্থন ও প্রভাব (Public Support and Influence)

এনডিজে সমাজে বিশেষ প্রভাব বিস্তার করেছে:

৬.১ সেনা পরিবারের আস্থা — ন্যায়বিচার ও সুরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা।

৬.২ নাগরিক সমাজ — আইনবিদ-শিক্ষাবিদদের নীতি-মঞ্চ।

৬.৩ গণমাধ্যম — গবেষণা-প্রচারে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, তরুণদের আকর্ষণ।৬.৪আন্তর্জাতিকপরিচিতি — মানবাধিকারসংস্থাওপ্রবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ।

৭. চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা (Challenges and Limitations)

যদিও এনডিজে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে, তবুও এর কার্যক্রমে নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো হলো—

৭.১ রাজনৈতিক দমননীতি — সরকার ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ ও হুমকি এনডিজের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতাকে সীমিত করে। ভিন্নমত দমন ও বিরোধী কণ্ঠরোধের নীতি তাদের কার্যক্রমকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে।

৭.২ ভুল ব্যাখ্যা ও অপপ্রচার — স্বৈরাচার মদদপুষ্ট মহল এনডিজেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংগঠন হিসেবে প্রচার করে থাকে। এই ধরনের অপপ্রচার সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং সংগঠনের সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

৭.৩ সম্পদ ও আর্থিক সীমাবদ্ধতা — গবেষণা, প্রচার ও কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সম্পদের অভাব এনডিজের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। স্বতন্ত্র তহবিলের সীমাবদ্ধতা আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে আরও বিস্তৃতভাবে কাজ করাকে কঠিন করে তোলে।

৭.৪ আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবন্ধকতা — বিদ্যমান আইন ও প্রশাসনিক কাঠামো অনেক ক্ষেত্রে এনডিজের কার্যক্রমকে সীমিত করে। বিশেষত রাষ্ট্রীয় নজরদারি ও হয়রানির আশঙ্কা সবসময়ই একটি বড় প্রতিবন্ধকতা।

৭.৫ ভেতরের সমন্বয়ের চ্যালেঞ্জ — বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণির মানুষ যুক্ত থাকায় সংগঠনের অভ্যন্তরে মাঝে মাঝে মতভেদ ও সমন্বয়ের সমস্যার সৃষ্টি হয়।এসব ভিন্নতাসামাল দেওয়া সংগঠনের নেতৃত্বের জন্য একটি বড় দায়িত্ব।

৮. ভবিষ্যৎ দর্শন ও কর্মপরিকল্পনা (Vision and Strategic Plans)

৮.১ দৃষ্টিভঙ্গি — এনডিজে এমন একটি বাংলাদেশ কল্পনা করে যেখানে·

নাগরিক স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার সর্বজনীনভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে।·

একটি সুশাসনভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে উঠবে- যা বৈষম্য, দমননীতি ও দুর্নীতিমুক্ত হবে।·

জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা সর্বোচ্চ মূল্যবোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে।

৮.২ কৌশল — ভবিষ্যতে এনডিজে নিম্নলিখিত দিকগুলোতে মনোযোগ দেবে:.

গবেষণা ও জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ — জাতীয় নিরাপত্তা, বিচার ব্যবস্থা, মানবাধিকার ও ভূরাজনীতি নিয়ে গবেষণা আরও গভীর করা।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি — বিশ্বব্যাপী চিন্তাশীল প্রতিষ্ঠান ও থিঙ্ক ট্যাঙ্কের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা। বাংলাদেশের ভু-রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরা।.

ডিজিটাল উপস্থিতি জোরদার — অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আরও বেশি প্রচার ও জনসম্পৃক্ততা তৈরি করা।·

সদস্যপদ সম্প্রসারণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি — তরুণ গবেষক, পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের যুক্ত করে সংগঠনকে আরও গতিশীল করা।·

আইনি ও নীতিগত সংস্কার প্রস্তাবনা — জাতীয় পর্যায়ে আইনগত সংস্কার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে নীতিগত প্রস্তাবনা দেওয়া।

৮.৩ দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য —· জাতীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা — জনগণের কাছে একটি বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় থিঙ্ক ট্যাঙ্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া।· আন্তর্জাতিক পরিচিতি — বৈশ্বিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক মহলে একটি সম্মানজনক স্থান অর্জন।·টেকসইউন্নয়ন — আর্থিকওপ্রাতিষ্ঠানিকস্থায়িত্বনিশ্চিতকরেদীর্ঘমেয়াদেকার্যক্রমঅব্যাহতরাখা।

৯. উপসংহার (Conclusion)

এনডিজে সকল দেশপ্রেমিক নাগরিককে আহ্বান জানায়—পূর্বপুরুষদের ত্যাগ স্মরণ করে নতুন যুগ গড়ুন, যেখানে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার বিরাজ করবে। বিভাজক শক্তির হুমকি সতর্কতার সঙ্গে “বাংলাদেশ আমাদের সবার” স্লোগানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বচ্ছ শাসন, মানবাধিকার ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ নির্মাণ করুন। সক্রিয় নাগরিকত্বের এই আহ্বানে একত্রিত হোন।